এক যুবকের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে দুই নারীর অবস্থান-এলাকায় চাঞ্চল্যে সৃষ্টি

এক যুবকের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে দুই নারীর অবস্থান-এলাকায় চাঞ্চল্যে সৃষ্টি! ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলায়। বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা যায়- সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মো. আক্তার হোসেন (৩৪) নামের এক যুবকের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে মোছা. শিল্পী খাতুন (২৭) ও মোছা. রাশিদা খাতুন (২৯)  দুই নারী অবস্থান করতেছেন। এই ঘটনায় এলাকাটিতে বেশ সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। 


আক্তার হোসেনের স্হায়ী ঠিকানা শাহজাদপুরের বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম মো. ইউসুফ আলী। আক্তার হোসেন দীর্ঘ দিন যাবত পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় পিডিবিতে কর্মরত রয়েছেন। স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে অবস্থানরত মোছা. শিল্পী খাতুনের গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার বেড়া থানার শহীদ নগর গ্রামে। তার বাবার নাম শীতল ফকির। অপরদিকে মোছা. রাশিদা খাতুনের পরিচয় শাহাজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চুলধরি গ্রামে। রাশিদা খাতুনের পিতার নাম মো. নওশের আলী। 


গত ১৩ জুলাই মঙ্গলবার সরেজমিনে  ইউসুফ আলীর বাড়িতে সন্ধা টায় সময় গিয়ে দেখা যায় শিল্পী খাতুন ঐ বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অবস্থান করতেছেন। অপর দিকে রাশিদা খাতুন ও তার দুই সন্তান সহ একই বাড়িতে অবস্থান করতেছেন। এসময় ইউসুফ আলী ও তার পরিবারে কোন সদস্য বাড়িতে পাওয়া যায় নেই। 


রাশিদা খাতুন গণমাধ্যমেকে দেয়া এক এক প্রতিবেদনে বলেন-গত ১১/১২ বছর আগে পারিবারিক ভাবে আক্তার হোসেনের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। আমার সংসারে খাদিজা খাতুন (৭) ও আসমা খাতুন (৩) নামের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এরপর আক্তার হোসেন পাবনায় পিডিবিতে চাকরির সুবাদে শিল্পী খাতুনের সঙ্গে পরকীয়া জড়িয়ে পড়েন এবং আমাকে তালাক দেন। পরে গত ৯ জুন ২০২১ ইং তারিখে আমরা পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। 


অপরপক্ষে শিল্পী খাতুন গণমাধ্যমে জানান-গত দুই বছর আগে আক্তার হোসেন আমাকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেন। এরপর আমি দীর্ঘ দিন শ্বশুর বাড়িতে থেকে ঘর সংসার করি। তবে বেশ কয়েক মাস থেকে আক্তার হোসেন আমাকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন এবং আমাকে মারধর করে আমার বাবার বাড়িতে রেখে আসেন। 


এদিকে আক্তার হোসেনের পিতা ইউসুফ আলীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়- তিনি তার ছেলের সঙ্গে শিল্পী খাতুনের বিয়ের বিষয়টি কিছুই জানেন না তবে বেশ কয়েকমাস থেকে আক্তার হোসেনের সঙ্গে মেয়েটি আমার বাড়িতে রয়েছে। এছাড়াও তিনি আরো বলেন রাশিদা খাতুনের সঙ্গে আমার ছেলের ডিভোর্স হয়েছে এটা জানি কিন্তুু তারা আবার বিয়ে করেছে কিনা সেটা আমার জানা নেই। 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন