নতুন নিয়ম-গ্রামে বসবাস করলে পাবেন ২৮ লক্ষ টাকা ! খবরটি শুনে অনেকের  হয়তো চোখ কপালে উঠে গেছে। আবার কেউ কেউ আগ্রহ নিয়ে পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ছেন। খবরটি শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও বাস্তবে এটি একটি সম্পূর্ণ সত্য ঘটনা। আমরা প্রায়ই সময় ফেসবুকে অনেক সুন্দর সুন্দর পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বসতবাড়ি বা দোকানপাট ও রেস্তোরাঁর ছবি শেয়ার করে থাকি। 


ঠিক এমন একটি সৌন্দর্যময় পাহাড়ি গ্রামের ছবি সোশ্যাল গণমাধ্যমে ফেসবুকে আপলোড দিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ইতালি। আবার দেখা যায় অনেক সময় নেটিজেনরা এমন অপরুপ সৌন্দর্যে ঘেরা পাহাড়ি গ্রামের বসতবাড়ির ছবি ফেসবুকে আপলোড দিয়ে ক্যাপশন দেন ড্রীম বা স্বপ্ন। আবার কেউ কেউ তো স্বর্গের সাথে তুলনা করনে। 


এবার সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে ইতালি নিয়েছেন ভিন্নধর্মী উদ্যোগ। কেউ যদি স্বেচ্ছায় ইতালির এই শহরটিতে স্হায়ী ভাবে দোকানপাট বা রেস্তোরাঁ স্হাপন করে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন তাহলে তাকে ইতালি সরকারের পক্ষ থেকে তিন মাসে দেয়া হবে ৩৩ হাজার মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৮ লাখ টাকা। 


সম্প্রতি সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় গণমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়-ইতালির দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের ক্যালাবরিয়া এলাকায় কেউ যদি স্হায়ী ভাবে দোকান বা রেস্তোরাঁ স্হাপন করেন বসতি গড়ে তোলেন তাহলে তাকে ইতালি  সরকারের পক্ষ তিন বছরের ব্যাবধানে বাংলাদেশি টাকায় ২৮ লাখ টাকা পাবে।


 দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দিন দিন গ্রামটিতে জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে। সেই সাথে জীবন ও আর্থিক কাঠামো স্বচ্ছল রাখতে বাহির থেকে মানুষ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে আলবিদোনা, বোভা, শান্তা সেভেরিনা, সান দোনাতো দ্যা নিয়েনা, সিভিতাসহ বেশ কয়েকটি একাকায় বসবাসের সাথে সাথে এই সূবর্ণ সুযোগ করে দিয়েছেন ইতালি। ইতালি সরকারের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে- বিশেষ করে তরুণদেরকে আকৃষ্ট করতে এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। 


ইতালি সরকারের শর্ত অনুযায়ী আবেদনের তিন মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে সেখানে গিয়ে দোকান, খামার, রেস্তোরাঁ ও বসতি গড়ে তুলতে হবে। তারপর প্রতিমাসে ১ হাজার থেকে ৮০০ মার্কিন ডলারের অনুদান মিলবে আবেদনকারী ব্যাক্তির। 


ইতিমধ্যে ইতালি সরকারের এমন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিশ্বের অনেক নেতা গণ। তারা মনে করেন ইতালির এমন কালজয়ী উদ্যোগ মাইলফলক হিসেবে থাকবে। একদিকে অন্যান্য দেশের অসহায় গরীব মানুষের জন্য হতে পারে সূবর্ণ সুযোগ। তবে ইতালির এমন পদক্ষেপে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তরুনরা। 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন