মোবাইল দিয়ে কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায়

মোবাইল দিয়ে টাকা আয়! শুনতে অবাস্তব মনে হলে সত্যি এটা যে আজকের এই নেট দুনিয়ায় সারা বিশ্বের কোটি কোটি তরুণ তরুণীরা তাদের ব্যবহৃত এন্ডোয়েড মোবাইল কিংবা আইফোন দিয়ে আয় করতেছেন কোটি কোটি মার্কিন ডলার। অনেকে ভাবেন মোবাইল ফোন শুধু মাত্র কথা বলা বা ফেসবুক, ইউটিউব, ইমো ও হোয়াটসএ্যাপ ব্যবহারের জন্য। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হল আজকাল আমাদের মধ্যে অনেকে এন্ডোয়েড বা আইফোন ব্যবহার করেন কিন্তুু ব্যবহারকারী নিজেই জানেন না এই মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইনে অনেক কাজ করা সম্ভব।


 মাঝে মধ্যে ফেসবুক বা ইউটিউবে কিছু সংখ্যক তরণ তরুণীর প্রতিভা চোখে পরার মত। তারা শুধু তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও এডিট, ফটো এডিট কিংবা ফ্রিল্যান্সিং এর মত কাজগুলো অনায়াসে করছেন। আসলে এটা কি ভাবে সম্ভব? আপনি ইচ্ছে করলে সবি সম্ভব। শুধু প্রয়োজন ইচ্ছে শক্তি ও পরিশ্রম। আপনাকে শুধু এতোটুকু মনে রাখতে হবে মানুষ ইচ্ছে করলে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখাতে পারে। এখন প্রশ্ন হল মোবাইল ফোনকে কাজে লাগিয়ে কোন কোন উপায়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায় নাকি ট্রেনিং নিয়ে কাজ করতে হয়? আপনাদেরকে আজ এমন বিশেষ কিছু পন্থা বলে দিবো যেখানে মোবাইল ফোন দিয়ে আপনি ঘরে বসে বেশ মোটা অংকের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। চলুন যেনে নেয়া যাক কি সেই উপায় গুলো-


এক.

ফেসবুকে ভিডিও আপলোড দিয়ে ইনকামঃ

প্রথমে ফেসবুকে একটি পেইজ তৈরি করুন। এরপর আপনার মোবাইল দিয়ে আপনার পছন্দ মত ভিডিও তৈরি করুন। তারপর তৈরি করা ভিডিওটি আপনার ফেসবুক পেইজে আপলোড করুন। এভাবে নিয়মিত ভাবে কাজ শুরু করে দিন। মাত্র অল্প কয়েক মাসের মধ্যে ফেসবুকের দেয়া নীতিমালা গুলো সঠিক ভাবে পালন করলে পেসবুক কতৃপক্ষ আপনার পেইজে এ্যাড শো এর মাধ্যমে আপনাকে টাকা ইনকামের সুযোগ করে দিবে। জানি আপনারা হয়তো ভাবছেন কাজটি অনেক কঠিন, কেউ তো আপনাকে সরাসরি দেখিয়ে দিবে না তাহলে আপনি কিভাবে কাজ শুরু করবেন? তাহলে উত্তর টা জেনে রাখুন- আপনি যদি ইউটিউব গিয়ে বাংলায় লিখেন " ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে কিভাবে টাকা আয় করা যায় " তাহলে দেখবেন ইউটিউব আপনার মোবাইলে এই রকম কয়েক শত ভিডিও শো করিয়েছে। আপনি আপনার পছন্দ মত ভিডিও দেখে দেখে কাজ শুরু করতে পারেন। বিষয়টি অনেকটা অনলাইন ক্লাসের মত। 


দুই.

ইউটিউবে ভিডিও আপলোড দিয়ে ইনকামঃ 

এটা অনেকটা ফেসবুকের মত হলেও এখানকার সবকিছুই একটু বেশি বেশি। এখানে ইনকাম করা যায় বেশি আবার এখানে নিয়ম কানুনও বেশি । প্রথমে একটি ইউটিউব চ্যানলে তৈরি করে আপনি আপনার পছন্দ মত ভিডিও তৈরি করবেন।এরপর আপনি যে বিষয়ে ভাল বোঝােন ঠিক ঐ বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরী করুন। তারপর সঠিক সময়ে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও গুলো নিয়মিত ভাবে আপলোড করুন। অল্প কয়েক মাস পরে ইউটিউবের নীতিমালা ও শর্ত পূরণ হলে ইউটিউব কতৃপক্ষ আপনার চ্যানেলকে গুগল এ্যাডস শো,য়ের মাধ্যমে বেশ মোটা অংকের টাকা ইনকাম করার সুযো করে দিবে। আরো সহজ ভাবে বলি - আপনি যদি ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করেন " ইউটিউব থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়" তাহলে এ বিষয়ে অনেক ভিডিও দেখতে পারবেন। সেখান থেকে ভিডিও দেখে দেখে কাজ শুরু করতে পারেন। 


শুধু এখানেই শেষ নয়,, আজকাল অনেক তরুণ তরুণী আছেন তারা মোবাইল দিয়ে আলি এক্সপ্রেস, অ্যামাজনের মত বড় বড় মার্কেটপ্লেস গুলো কাজ করছেন। 


সর্বশেষ এতোটুকু বলবো আপনি যে কাজেই করেন না কেন পরিশ্রম ব্যতীত কোন কাজেই সফলতা আসবে না। আর যার প্রকৃত পক্ষে অলস তারা শুধু সমালোচনাই করতে জানে। লেখা গুলো ভালো লাগলে আপনার ফেসবুক বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ারের মাধ্যমে অন্য কারো উপকার হতে পারে। 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন