এতিমখানার চাল চুরি করে বিক্রি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে মাদ্রাসা সুপার আটক
এতিমখানার চাল চুরির অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার আটক       

এতিমখানার চাল চুরি করে বিক্রি করতে গিয়ে মাদ্রাসা সুপার পুলিশের হাতে আটক। মাঝে মধ্যে আমাদের চারপাশে এমন কিছু ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটে যা শুনার পর নিজেকে মানুষ ভাবতে লজ্জা করে। একজন মানুষ হয়ে কিভাবে এমন নোংরা কাজ করতে পারে। শধু এখানেই শেষ নয় কিছু সংখ্যক মানব পশুরা অসহায়, গরীব ও এতিমদের হক মেরে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন। 


সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের জাতীয় বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল গুলোতে অনেক আত্মসাৎকারী, লুঠেরা ও দূর্নীতিবাজের খবর প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তুু সেই তথ্য চিত্র ছিল সীমিত। এখনো আমাদের দেশে অনেক অনিয়মকারী, দূর্নীতিবাজ ও লুঠেরা রয়েছেন সবার অগোচরে। আজকে এমন এক মানব পশুর পরিচয় করিয়ে দিবো যিনি এতিমখানার জন্য বরাদ্দকৃত জিআর প্রকল্পের চাল চুরি করে বিক্রি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। 



ঘটনাটি ঘটেছে নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকার একটি দরগা শরীফ এতিমখানা ও মাদ্রাসায়। বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায় - মাদ্রাসাটির সুপার শরীফ আরিফুজ্জামান হেলালী সোমবার ১৩ জুলাই বেলা ১১ টার দিকে এতিমখানা ও মাদ্রাসার নামে বরাদ্দকৃত চাল গোপনে চুরি করে লোহাগড়া বাজারে বিক্রি করতে যান। 


ঐ সময় বাজারে অবস্থারত টহল পুলিশ সন্দেহজনক ভাবে চালের বিষয়টি মাদ্রাসা সুপারকে জিজ্ঞেসা করেন। তখন মাদ্রাসা সুপার শরীফ আরিফুজ্জামান হেলালী স্বীকার করেন সেগুলো এতিমখানা ও মাদ্রাসার চাল। এরপর পুলিশ  লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফোন দেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাদ্রাসা সুপার শরীফ আরিফুজ্জামান হেলালী আটক করার নির্দেশ দেন। 


পরে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোসলিনা পারভীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাদ্রাসা সুপারকে জিজ্ঞেসাবাদ করলে - মাদ্রাসা সুপার শরীফ আরিফুজ্জামান হেলালী নিজের দোষ স্বীকার করলে দূর্যোগ ব্যবস্হাপনা আইন ভ্রাম্যমাণ আদালতে নগদ ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং উদ্ধারকৃত চাল এতিমখানা ও মাদ্রাসায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন